
দলমা হাতির তাণ্ডবে আতঙ্কিত কেশিয়াড়ীবাসী : দলমার হাতির তাণ্ডবে আতঙ্কিত কেশিয়াড়ির বিস্তীর্ণ এলাকা
৬০ থেকে ৬৫ টি দলমার হাতির তাণ্ডবে আতঙ্কিত কেশিয়াড়ির বিস্তীর্ণ এলাকা। হাতির দলটিকে জঙ্গলে ফেরত পাঠাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে বনদপ্তরকে।

হাতির দল প্রবেশ করে কেশিয়াড়ি থানার লোকালয়ে।
দলমা হাতির তাণ্ডবে আতঙ্কিত কেশিয়াড়ীবাসী : শুক্রবার গভীর রাতে ঝাড়গ্রাম জেলার সাঁকরাইল থানা এলাকার জঙ্গল থেকে ৬০ থেকে ৬৫টির একটি হাতির দল প্রবেশ করে কেশিয়াড়ি থানার বিস্তীর্ণ এলাকার লোকালয়ে।বারিদা,গোয়ালমারা,ভালকিশোল,তেলিপুকুর সহ বেশ কয়েকটি গ্রামে হামলা চালায় এই হাতির দল।

ক্ষতি হয় বিপুল পরিমাণ ফসলের
ক্ষতি হয় বিপুল পরিমাণ ফসলের। সবজি থেকে ধান ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়ে সবকিছু। বনদপ্তরের পক্ষ থেকে বনকর্মীরা সকাল থেকে হাতি গুলিকে তাড়ানোর ব্যবস্থা করে।

হাতিগুলি হাতি গেড়িয়া জঙ্গলে অবস্থান করে
দুপুরে তীব্র গরমে হাতিগুলি হাতি গেড়িয়া জঙ্গলে অবস্থান করে। পরে বেলা গড়লে হাতি গুলিকে দুধেবুধে, বিনন্দপুর হয়ে কুলবনির দিকে সুবর্নরেখা নদীর উদ্দেশ্যে রওনা করিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে বনদপ্তর।

লোকালয়ে এতগুলি হাতি চলে আসায় আতঙ্কিত
এর মধ্যে হঠাৎ করে লোকালয়ে এতগুলি হাতি চলে আসায় আতঙ্কিত হয়ে পড়ে এলাকার বাসিন্দারা। পিচরাস্তার উপরে হাতিগুলি চলে আসায় বেশ কিছুক্ষণ যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের অতি উৎসাহের ফলে হাতি গুলিকে নয়াগ্রামের জঙ্গলে ফেরত পাঠাতে সমস্যার মুখোমুখি হতে হয় বনদপ্তরকে।

বেলদা বনদপ্তরের রেঞ্জার তৌহিদ আনসারী বলেন
বেলদা বনদপ্তরের রেঞ্জার তৌহিদ আনসারী বলেন, সাঁকরাইল রেঞ্জ এলাকা থেকে শুক্রবার রাতে ৬০-৬৫টি হাতির একটি দল পথ ভুলে কেশিয়াড়ির বেশ কয়েকটি গ্রামে প্রবেশ করে। আমরা তাদের পুনরায় সুবর্ণরেখা নদী পার করিয়ে নয়াগ্রামের গভীর জঙ্গলে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করছি। যে সমস্ত এলাকায় ফসলের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে সেগুলির একটি তালিকা তৈরি করে জেলা প্রশাসনের কাছে পাঠানো হচ্ছে।

